নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাস

Published:

Updated:

Author:

Topic:

north south university

বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় এবং প্রথম বেসরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি নিয়ে আপনার মনে থাকা সব প্রশ্নের উত্তর পাবেন এই বিস্তারিত আর্টিকেলে।
এই ব্লগের মাধ্যমে আপনি এনএসইউ ক্যাম্পাসের পরিবেশ, ভর্তির প্রক্রিয়া, সুযোগ-সুবিধা, যাতায়াত ব্যবস্থা এবং এর আশেপাশের দর্শনীয় স্থান ও খাবারের দোকান সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ ধারণা পাবেন। আপনি যদি একজন শিক্ষার্থী, অভিভাবক বা দর্শনার্থী হয়ে থাকেন, তবে এই তথ্যগুলো আপনার কাজে আসবে।

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি: আধুনিক শিক্ষার এক প্রাণকেন্দ্র

বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা মানচিত্রে এই প্রতিষ্ঠানের নাম অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নেওয়া হয়। ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি মানসম্মত শিক্ষা এবং বিশ্বমানের অবকাঠামোর জন্য পরিচিতি লাভ করেছে। বিশেষ করে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত এদের বর্তমান স্থায়ী ক্যাম্পাসটি আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর এক অনন্য নিদর্শন।
এখানে আপনি শুধু পড়াশোনাই নয়, পাবেন একটি আন্তর্জাতিক মানের পরিবেশ। বিশাল এই ক্যাম্পাসের প্রতিটি কোণ অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে সাজানো হয়েছে যাতে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি সৃজনশীল কাজেও নিজেদের নিয়োজিত রাখতে পারে। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি মূলত তার একাডেমিক কঠোরতা এবং চমৎকার নেটওয়ার্কিংয়ের জন্য পরিচিত।

ক্যাম্পাস লোকেশন ও যেভাবে যাবেন

এই ইউনিভার্সিটিটি ঢাকার অত্যন্ত সুপরিকল্পিত এলাকা বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ব্লক-বি তে অবস্থিত। এটি কুড়িল বিশ্বরোড থেকে খুব কাছেই। ঢাকার যেকোনো প্রান্ত থেকে এখানে আসা বেশ সহজ।

  • বাসে যাতায়াত: মিরপুর, উত্তরা, বনানী বা মতিঝিল থেকে আসা প্রচুর বাস কুড়িল বিশ্বরোড হয়ে যায়। সেখান থেকে আপনি রিকশা বা লেগুনায় করে সরাসরি ক্যাম্পাসে আসতে পারবেন।
  • ব্যক্তিগত গাড়ি বা বাইক: বসুন্ধরা মেইন গেট দিয়ে ঢুকে সরাসরি সোজা গিয়ে বাম দিকে মোড় নিলেই বিশাল এই প্রাঙ্গণ চোখে পড়বে। এখানে পার্কিংয়ের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে।
  • মেট্রোরেল: বর্তমানে মেট্রোরেলের মাধ্যমে উত্তরা বা আগারগাঁও থেকে মিরপুর হয়ে খুব সহজেই প্রগতি সরণি পর্যন্ত আসা যায়, সেখান থেকে সিএনজি বা পাঠাও রাইড নিয়ে ক্যাম্পাসে পৌঁছানো সম্ভব।

শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা

একটি আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়ের যা যা প্রয়োজন, তার সবই এখানে বিদ্যমান। লাইব্রেরি থেকে শুরু করে অডিটোরিয়াম পর্যন্ত সবকিছুই বিশ্বমানের।

  1. বিশাল লাইব্রেরি: এখানে রয়েছে দেশের অন্যতম বড় এবং ডিজিটাল লাইব্রেরি। লাখ লাখ বইয়ের পাশাপাশি অনলাইন জার্নাল পড়ার সুবিধাও রয়েছে।
  2. অডিটোরিয়াম ও ক্লাব রুম: বিভিন্ন সেমিনার এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য রয়েছে বিশাল অডিটোরিয়াম। এছাড়া বিভিন্ন কো-কারিকুলাম অ্যাক্টিভিটির জন্য আলাদা ক্লাব ফ্লোর রয়েছে।
  3. খেলার মাঠ ও জিম: শিক্ষার্থীদের শারীরিক বিকাশের জন্য ইনডোর গেমসের সুবিধা এবং একটি আধুনিক জিমনেসিয়ামের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
পড়তে পারেন:  ৫০ হাজার টাকায় নেপাল ভ্রমণ: ঢাকা থেকে কাঠমান্ডু পূর্ণাঙ্গ বাজেট ট্যুর গাইড

একাডেমিক প্রোগ্রামসমূহ এবং খরচ

এখানে মূলত চারটি অনুষদের অধীনে বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনা করানো হয়। যেমন স্কুল অফ বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকস, স্কুল অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ফিজিক্যাল সায়েন্সেস, স্কুল অফ হিউম্যানিটিস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস এবং স্কুল অফ হেলথ অ্যান্ড লাইফ সায়েন্সেস।

বিভাগ সময়কাল আনুমানিক খরচ সুযোগ-সুবিধা
বিবিএ (BBA) ৪ বছর ১০-১২ লক্ষ টাকা ইন্টার্নশিপ ও কর্পোরেট নেটওয়ার্ক
ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE/EEE) ৪ বছর ১১-১৩ লক্ষ টাকা উন্নত ল্যাব ও রিসার্চ সুবিধা
ফার্মেসি ও বায়োটেক ৪ বছর ৯-১১ লক্ষ টাকা আধুনিক গবেষণা ল্যাব
ইংলিশ ও আর্কিটেকচার ৪-৫ বছর ৮-১০ লক্ষ টাকা ডিজাইন স্টুডিও ও সেমিনার

উল্লেখ্য যে, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি তে মেধার ভিত্তিতে প্রচুর পরিমাণে স্কলারশিপ দেওয়া হয়। ভর্তি পরীক্ষায় ভালো ফল করলে বা জিপিএ ভালো থাকলে টিউশন ফি-তে ২৫% থেকে ১০০% পর্যন্ত ওয়েভার পাওয়ার সুযোগ থাকে।

ভর্তির নিয়মাবলী ও সময়সূচি

সাধারণত বছরে তিনটি সেমিস্টারে এখানে ছাত্র ভর্তি নেওয়া হয়: স্প্রিং (জানুয়ারি), সামার (মে), এবং ফল (সেপ্টেম্বর)। ভর্তি পরীক্ষা বেশ প্রতিযোগিতামূলক হয়, তাই আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন।

ভর্তি পরীক্ষার প্রক্রিয়া

  • আবেদন যোগ্যতা: এসএসসি এবং এইচএসসিতে নির্দিষ্ট জিপিএ থাকতে হয়। সাধারণত উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম ৩.৫ বা তার বেশি প্রয়োজন হয়।
  • পরীক্ষার বিষয়: ইংরেজি, গণিত এবং সাধারণ জ্ঞানের ওপর ভিত্তি করে প্রশ্ন করা হয়। ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের জন্য উচ্চতর গণিত পরীক্ষা দিতে হয়।
  • মৌখিক পরীক্ষা: লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের অনেক সময় ভাইবা বা ইন্টারভিউ ফেস করতে হতে পারে।

প্রয়োজনীয় নথিপত্র (চেকলিস্ট)

ভর্তির সময় আপনার সাথে নিচের কাগজগুলো রাখা জরুরি:

  • এসএসসি ও এইচএসসির মূল মার্কশিট ও সার্টিফিকেট।
  • পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি (৫-৬ কপি)।
  • জন্ম নিবন্ধন বা জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি।
  • অভিভাবকের আয়ের প্রমাণপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

ক্যাম্পাস লাইফ ও কালচার

বিশ্ববিদ্যালয় মানেই হচ্ছে শুধু পড়াশোনা নয়, বরং নতুন নতুন দক্ষতা অর্জন। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি এর ক্লাব কালচার সারা দেশে বিখ্যাত। ডিবেটিং ক্লাব থেকে শুরু করে ফটোগ্রাফি বা ড্রামা ক্লাব—প্রায় প্রতিটি বিষয়ের জন্য আলাদা ক্লাব রয়েছে।
ক্যাম্পাসের ফুডকোর্ট একটি জনপ্রিয় জায়গা। এখানে বিভিন্ন ধরনের মুখরোচক খাবার পাওয়া যায় যা শিক্ষার্থীদের বাজেটের মধ্যেই থাকে। দুপুরবেলা বন্ধুদের সাথে আড্ডা আর তর্কে মেতে ওঠার জন্য এর চেয়ে ভালো জায়গা আর নেই। এছাড়া পুরো ক্যাম্পাসটি ওয়াইফাই সুবিধাসম্পন্ন, ফলে শিক্ষার্থীরা মোবাইল বা ল্যাপটপে সহজে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

পড়তে পারেন:  কক্সবাজার হলিউড পাহাড় ভ্রমণ গাইড ও বিস্তারিত তথ্য

দর্শনার্থীদের জন্য কিছু টিপস

আপনি যদি প্রথমবার ক্যাম্পাস ঘুরতে যেতে চান, তবে কিছু বিষয় মাথায় রাখা ভালো:

  • প্রবেশাধিকার: সাধারণ মানুষের জন্য ভেতরে ঢোকা সবসময় সহজ নয়। বর্তমান ছাত্র বা পরিচিত কেউ সাথে থাকলে প্রবেশ করা সহজ হয়।
  • পরিচয়পত্র: সাথে সবসময় নিজের বৈধ পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) রাখুন। সিকিউরিটি চেক পার হতে এটি প্রয়োজন হবে।
  • পোশাক: শালীন এবং মার্জিত পোশাক পরে যাওয়াই শ্রেয়।
  • সময়: সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে যাওয়া সবচেয়ে ভালো সময়, কারণ তখন ক্যাম্পাসের আসল চিরচেনা রূপ দেখা যায়।

আশেপাশের দর্শনীয় স্থান ও ঘোরাঘুরি

বসুন্ধরা এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির আশেপাশে অনেক চমৎকার জায়গা রয়েছে যেখানে আপনি সময় কাটাতে পারেন।

  • ৩০০ ফিট (পূর্বাচল): ক্যাম্পাসের খুব কাছেই এই এলাকাটি বর্তমানে ঢাকার সবচেয়ে জনপ্রিয় বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। বিকেলে খোলা বাতাসে সময় কাটানো বা রাস্তার ধারের খাবার খাওয়ার জন্য এটি দারুণ।
  • যমুনা ফিউচার পার্ক: কেনাকাটা বা সিনেমার জন্য আপনি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বড় এই শপিং মলে যেতে পারেন।
  • আইএইচটি পাহাড় ও লেক: বসুন্ধরার ভেতরেই কিছু শান্ত ও সুন্দর লেক সাইড রয়েছে যেখানে বসে শান্তিতে সময় কাটানো যায়।

কমন ভুলসমূহ যা এড়িয়ে চলবেন

অনেক শিক্ষার্থী বা অভিভাবক কিছু ভুল করেন যা আগেই সতর্ক হওয়া দরকার:

  • সময়মতো আবেদন না করা: শেষ মুহূর্তের চাপ এড়াতে আবেদনের সময়সীমা শেষ হওয়ার অন্তত ৩-৪ দিন আগেই ফরম পূরণ করুন।
  • কাগজপত্রের ভুল: সার্টিফিকেটের নামের বানানের সাথে আবেদনের বানানের মিল যেন থাকে।
  • যাতায়াত দূরত্ব উপেক্ষা করা: ঢাকা শহরের ভয়াবহ জ্যামের কথা মাথায় রেখে পরীক্ষা বা ক্লাসের অন্তত ১ ঘণ্টা আগে বাসা থেকে বের হওয়া উচিত।

নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা

পুরো নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি প্রাঙ্গণ সিসিটিভি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এখানে ধূমপান বা কোনো প্রকার অসামাজিক কাজ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। ক্যাম্পাসের গেটে নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত কঠোর, যা শিক্ষার্থীদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।

পড়তে পারেন:  কক্সবাজার হলিউড পাহাড় ভ্রমণ গাইড ও বিস্তারিত তথ্য

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)

১. নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি কি সরকারি না বেসরকারি?
উত্তর: এটি বাংলাদেশের প্রথম অনুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি।
২. এখানে চান্স পেতে হলে কেমন জিপিএ লাগে?
উত্তর: সাধারণত এসএসসি ও এইচএসসি মিলিয়ে মোট জিপিএ ৮.০ থাকলে ভালো সুযোগ থাকে, তবে ন্যূনতম রিকুয়ারমেন্ট অনেক সময় পরিবর্তন হতে পারে।
৩. ক্যাম্পাস কি শুক্রবার খোলা থাকে?
উত্তর: শুক্রবার এবং শনিবার সাধারণত অফিশিয়াল কোনো কার্যক্রম থাকে না, তবে কিছু স্পেশাল প্রোগ্রাম বা পরীক্ষা থাকতে পারে। সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য ছুটির দিনে প্রবেশ সীমিত।
৪. নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি এর হোস্টেল সুবিধা আছে কি?
উত্তর: না, ক্যাম্পাসের ভেতরে সরাসরি কোনো হোস্টেল সুবিধা নেই। তবে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় শিক্ষার্থীদের জন্য প্রচুর প্রাইভেট হোস্টেল এবং মেস রয়েছে।
৫. ক্রেডিট ট্রান্সফার করার সুযোগ আছে কি?
উত্তর: হ্যাঁ, এখানকার ক্রেডিট বিশ্বের অনেক নামী বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্রহণ করা হয়, ফলে উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়ার সুযোগ এখানে অনেক বেশি।
৬. ভর্তি পরীক্ষার জন্য কোনো কোচিং করা কি বাধ্যতামূলক?
উত্তর: না, তবে ইংরেজি এবং গণিতের বেসিক ভালো থাকলে নিজে নিজেই প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব। গত বছরের প্রশ্নগুলো সমাধান করলে ভালো ধারণা পাওয়া যায়।

পরিশেষে, উচ্চশিক্ষার জন্য নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি একটি চমৎকার গন্তব্য হতে পারে। আপনি যদি পড়ালেখার সুন্দর পরিবেশ আর উন্নত ভবিষ্যৎ গড়তে চান, তবে এই প্রতিষ্ঠানটি আপনার তালিকার শীর্ষে থাকা উচিত। আশা করি এই গাইডটি আপনাকে আপনার সব দ্বিধা দূর করতে সাহায্য করেছে। সঠিক পরিকল্পনা আর প্রস্তুতি নিয়ে এগিয়ে যান, আপনার শিক্ষা জীবন সফল হোক।

দৃষ্টি আকর্ষণ: যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের দেশের সম্পদ। প্রকৃতি ও সৌন্দর্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন। অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।

সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই আমাদের প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল নাও থাকতে পারে। অনুগ্রহ করে আপনি কোথাও ভ্রমণে যাওয়ার পূর্বে বর্তমান তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন। এছাড়া আপনাদের সুবিধার জন্যে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে নিয়ে হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ও নানা রকম যোগাযোগ এর মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়। এইসব নাম্বারে কোনরূপ আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই বাচাই করার অনুরোধ করা হলো। কোন আর্থিক ক্ষতি বা কোন প্রকার সমস্যা হলে তার জন্যে টো টো ট্রাভেলার কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কিছু খুজছেন?

সংক্ষেপে আমরা

এই লেখাটি নিজস্ব অভিজ্ঞতা থেকে আমাদের এডিটর লিখেছেন। কোথাও কোনো সমস্যা বা অসংগতি ধরা পড়লে আমাদের কে জানানোর অনুরোধ রইলো কন্টাক্ট পেজের মাধমে। আপনি খুব সহযেই আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন কন্টাক্ট পেজের মাধ্যমে।

কুইক কন্টাক্ট

সকল টপিক

সাম্প্রতিক লেখা-সমূহ

  • গুলিয়াখলি ট্যুর নিয়ে জানুন যাওয়ার উপায় ও বিস্তারিত গাইড

    প্রকৃতির মায়াবী ছোঁয়ায় ঘেরা এক সবুজ গালিচার দেশ সীতাকুণ্ডের গুলিয়াখলি সমুদ্র সৈকত। আপনি যদি একইসাথে সমুদ্র এবং সবুজ ঘাসের মেলবন্ধন দেখতে চান, তবে আপনার জন্য সেরা পছন্দ হতে পারে গুলিয়াখলি ট্যুর। এই আর্টিকেলে আমরা গুলিয়াখলি যাওয়ার ছোট বড় সব তথ্য, খরচ, থাকার জায়গা এবং ভ্রমণের সঠিক পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। যারা প্রথমবারের মতো এখানে…

    Read more →

  • দিয়া বাড়ি উত্তরা ভ্রমন এবং পূর্ণাঙ্গ ট্রাভেল গাইড

    ঢাকার ব্যস্ত জীবনের মাঝে একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস নিতে দিয়া বাড়ির চেয়ে ভালো জায়গা আর হয় না। এই ব্লগে আমরা দিয়া বাড়ীর দর্শনীয় স্থান, যাওয়ার উপায় এবং খরচ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। দিয়া বাড়ি উত্তরা ভ্রমন : ঢাকার কাছে এক টুকরো শান্তি রাজধানীর ভেতরে খোলা আকাশ, বিশাল কাশবন আর লেকের পানির মিতালী দেখতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই…

    Read more →

  • Bangladesh Railway Releases Schedule for Advance Eid Train Tickets for 2026

    Bangladesh Railway Releases Schedule for Advance Eid Train Tickets for 2026

    আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা আরও পরিকল্পিত ও স্বস্তিদায়ক করতে বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রকাশ করেছে ট্রেনের অগ্রিম ও ফেরত যাত্রার টিকিট বিক্রির পূর্ণাঙ্গ সূচি। এবারও শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি করা হবে, এবং প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে ইস্যু কার্যক্রম শুরু হবে। তাই আগেভাগে পরিকল্পনা করে নির্ধারিত দিনে টিকিট সংগ্রহ করাই হবে ভ্রমণ সহজ করার মূল…

    Read more →